Friday, April 14, 2017

৭টি লক্ষণ দেখলে বুঝবেন আপনি ডায়বেটিসে আক্রান্ত



পৃথিবীতে ডায়েবেটিস রোগীর সংখ্যা দিনে দিনে বাড়ছে। ডায়বেটিস টাইপ টু-ই বিভিন্ন ধরনের ডায়বেটিসের মধ্যে সবথেকে বেশি ছড়িয়ে পড়ছে। ডায়বেটিস থেকে জন্ম নিতে পারে অন্য নানা ধরনের রোগ। কাজেই এই রোগ সম্পর্কে সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। কোন কোন লক্ষণ দেখে বুঝতে পারবেন যে আপনি ডায়বেটিসে আক্রান্ত? জার্নাল অফ ডায়বেটিসে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে ডাক্তার জাখারি ব্লুমগার্ডেন আর গুয়াং নিংগ এই প্রশ্নের উত্তরে জানাচ্ছেন ডায়বেটিসের উপসর্গগুলির কথা। আসুন, আমরাও জেনে নিইঃ

১. অতিরিক্ত খিদে বোধঃ
যখন রক্তে চিনির মাত্রা বৃদ্ধি পায়, তখন শরীরকে সচল রাখার জন্য অতিরিক্তি খাদ্যের প্রয়োজন প্রয়োজন হয়। ফলে খিদেও পায় বেশি পরিমাণে।
২. ক্লান্তি বোধঃ
ব্লাড সুগার বেড়ে গেলে শরীর ক্লান্ত হয় তা়ড়াতাড়ি।
৩. ঘন ঘন টয়লেটে যাওয়া কিংবা গলা শুকিয়ে যাওয়াঃ
শরীরকে অতিরিক্ত গ্লুকোজ থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য কিডনিকে বেশি খাটতে হয়। ফলে স্বাভাবিকের তুলনায় ঘন ঘন মূত্রত্যাগ করার প্রয়োজন বোধ হয়। একই সঙ্গে এই ক্ষতিপূরণ করার জন্য জলও বেশি খাওয়ার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।
৪. চামড়া শুকিয়ে যাওয়া এবং চুলকানি দেখা দেওয়াঃ
রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিকভাবে না হওয়ার কারণে ত্বক শুকিয়ে যায় দ্রুত এবং শুষ্কতার কারণেই ত্বকে চুলকানির অনুভূতি হয়।
৫. দৃষ্টি অস্পষ্ট হয়ে আসাঃ
দীর্ঘদিন হাই ব্লাড সুগার থাকলে চোখের দৃষ্টি অস্পষ্ট হয়ে আসে।
৬. কোনও ঘা বা ক্ষত সারতে সময় নেওয়াঃ
ব্লাড সুগার বৃদ্ধি পেলে রক্তসঞ্চালনের স্বাভাবিকতা ব্যাহত হয়। তার ফলে শরীরে কোনও ঘা বা ক্ষত দেখা দিলে তা চট করে সারতে চায় না।
৭. ফাংগাল ইনফেকশনঃ
ব্লাড সুগার বৃদ্ধি পেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়। পরিণামে শরীরে বাসা ফাংগাস বা ইস্ট ঘটিত ইনফেকশন বাসা বাঁধার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

প্রাণঘাতী রোগ থেকে রক্ষা করে পেয়ারা



পেয়ারায় থাকা ভিটামিন সি আপনার শরীরে ইমিউনিটি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। শরীরে ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ করতে দিনে অন্তত দুটো পেয়ারা খেতে পারলে ভালো।

ফল হিসেবে পেয়ারা ঠান্ডা। মানে, পেট ঠান্ডা রাখে। কে না জানে, যাবতীয় রোগের উত্পত্তি পেট থেকেই। তাই পেটের অসুখবিসুখ এড়াতে চাইলে পেয়ারা খেতে হবে।
চোখের নীচে যাঁদের কালসিটে পড়ছে, মুখে হাবিজাবি কিছু না মেখে, পেয়ারপাতা জোগাড় করুন। কয়েকটা পেয়ারা পাতা ভালো করে বেটে পেস্ট করে নিয়ে, তা চোখের নীচে কালসিটে পড়া জায়গায় লাগিয়ে দিন। কিছুদিনের মধ্যেই কালোছাপ দূর হবে।
অকাল বার্ধক্য বা ত্বকের বলিরেখা দূর করতেও পেয়ারার জুড়ি নেই কিন্তু। এ জন্য বিশেষ পরিশ্রমও আপনাকে করতে হবে। নিয়মিত খালি পেয়ারা খেয়ে যান। পেয়ারায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন-এ ত্বক ফাটাও রোধ করে।
সবথেকে বড় কথা পেয়ারা ক্যানসারের যম। ক্যানসারের ক্ষতিকারক কোষগুলোকে মেরে ফেলার ক্ষমতা রাখে। তাই স্তন, ত্বক বা প্রস্টেটের মতো নানা ক্যানসারের হাত থেকে বাঁচতে নিয়মিত পেয়ারা খান। সুস্থ থাকুন।

Tuesday, February 14, 2017

তেঁতুল খাওয়ার উপকারিতাগুলো জানেন তো!

তেঁতুল আমাদের পরিচিত একটি টক ফল। এটি শরীরের নানা প্রকার প্রদাহরোধ করে, চোখ স্বাস্থ্য ভাল রাখে, শ্বাসনালীর জন্য উপকারি, ত্বকের ক্ষত সারায়, হজমশক্তি উন্নত করে, ব্যথানাশক, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারক, জ্বর কমায়, কোলস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখে, পাইলস রোগের চিকিৎসা, ক্যান্সার প্রতিরোধ এবং শিশুদের কৃমি ও পরজীবী ঘটিত নানা রকম রোগ থেকে রক্ষা করে।


তেঁতুল কাঁচাপাকা উভয় অবস্থায়, আচার, শুকিয়ে মশলা করে বিভিন্ন উপায়ে খাওয়া যায়। উপকারী এই ফল সম্পর্কে নানারকম ভ্রান্ত ধারণাও প্রচলিত আছে। অনেকে বলে থাকেন, এটি মানুষের স্মৃতিশক্তি হ্রাস করে ও পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।

তেঁতুলের নানাবিধ উপকারিতা:

তেঁতুল বিশ্বজুড়ে খুবই উপকারি একটি ফল হিসেবে গণ্য হয়। কারণ এতে নানা প্রকার পুষ্টি উপাদান বিদ্যমান। এতে প্রচুর ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, ভিটামিন বি, ক্যালসিয়াম, লৌহ, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ এবং আঁশ রয়েছে। তেঁতুলে কিছু জৈব উপাদান রয়েছে যেগুলো শক্তিশালী এন্টি-অক্সিডেন্ট ও এন্টি-ইনফ্লামেটরী কাজে ব্যবহৃত হয়। চলুন জানা যাক, বিস্তারিত-

পৌষ্টিকতন্ত্রের স্বাস্থ্য:
তেঁতুলকে প্রাকৃতিক ল্যাক্সাটিভ বা জোলাপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তেঁতুল খেলে হজমশক্তি বৃদ্ধি পাবে এবং কোষ্ঠকাঠিণ্যের সমস্যা দূর হবে। পিত্তরসের সক্রিয়তা বৃদ্ধির মাধ্যমে তেঁতুল দ্রুত হজমে সহায়তা করে। দীর্ঘদিন ডায়রিয়াজনিত সমস্যায় ভুগলে তেঁতুল খেতে পারেন।

হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখতে: 
রক্তচাপ ও রক্তের কোলস্টেরলের মাত্রা কমাতে সহায়ক তেঁতুল। তেঁতুলে থাকা পটাশিয়াম রক্তচাপ কমায়। পটাশিয়াম রক্তনালীর প্রসারণ ঘটিয়ে রক্ত সংবহনতন্ত্রের চাপ কমায়। তেঁতুলে থাকা ভিটামিন সি এন্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখে।

লোহিত রক্ত কণিকা তৈরি: 
তেঁতুলে প্রচুর লৌহ রয়েছে। লৌহ লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে সহায়তা করে। রক্তশূণ্যতা, দূর্বলতা, অবসাদ, মাথা ব্যথা, মেধাশূণ্যতা, পাকস্থলীর সমস্যা ইত্যাদি দূর করে। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণ তেঁতুল খান।

স্নায়ুর কার্যক্ষমতা সচল রাখা: তেঁতুলে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স থাকে। এই পরিবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হচ্ছে থায়ামিন যা তেঁতুলে প্রচুর পরিমাণে বিদ্যমান। থায়ামিন স্নায়ুর কার্যক্ষমতা ঠিক রাখে ও পেশী উন্নত করে।

ওজন কমায়: 
তেঁতুল চূর্ণ থেকে হাইড্রোক্সি সাইট্রিক এসিড নামক একটি উপাদান পাওয়া যায়। এটি শরীরে চর্বি জমতে বাঁধা প্রদান করে।

ডায়াবেটিস প্রতিরোধ: 
তেঁতুল ওজন বৃদ্ধি প্রতিরোধ করে। ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সহায়তা করে।

প্রদাহরোধী ক্ষমতা: 
তেঁতুল তেলের প্রদাহরোধী ক্ষমতা রয়েছে। অস্থিসন্ধির ব্যথা এবং প্রদাহ, বাত ও বাতজনিত অবস্থা এবং গাউট রোগ প্রতিরোধ করে। চোখের এলার্জি ও কনজাংটিভাইটিস রোগেও তেঁতুল খুবই উপকারি।

প্রজনন ক্ষমতা: 
তেঁতুলে ভিটামিন ই থাকায় তা প্রজনন ক্ষমতা কমায় না বরং ভাল রাখে।

সতর্কতা: 
তেঁতুল রক্তচাপ কমায় এবং রক্ত পাতলা করতে পারে। সুতরাং কোনো কারণে রক্তপাত শুরু হলে বন্ধ করা কঠিন হতে পারে। যদি অ্যাসপিরিন অথবা অন্যকোনো রক্ত পাতলা করার ওষুধ সেবন করেন সেক্ষেত্রে অতিরিক্ত তেঁতুল খাওয়া থেকে বিরত থাকবেন।

সূত্র: অর্গানিক ফ্যাক্টস ডট নেট।

Thursday, December 22, 2016

হৃৎপিণ্ডের শিরায় জমাট বাঁধা রক্ত গলবে যেভাবে!





বিশেষজ্ঞদের মতে, হৃদরোগে মৃত্যুর ৫০ শতাংশ হয়ে থাকে হৎপিণ্ডের শিরা-উপশিরার বিভিন্ন রোগের কারণে। রক্ত প্রবাহের আলোড়ন ও প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টির জন্য শিরার অভ্যন্তর ভাগের কোনো অংশ বিনষ্ট বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

সাধারণত ক্ষতিগ্রস্ত অংশের ওপর রক্ত জমাট বেঁধে ক্ষতিগ্রস্ত অংশকে (শিরা সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত) ঢেকে রাখে।

হৃৎপিণ্ডের শিরা-উপশিরার অভ্যন্তরে ক্ষত বা প্রদাহ হলে রক্তে অবস্থিত প্ল্যাটিলেট, লিপিড বা চর্বি, কোলেস্টেরল ও আঁশজাতীয় পদার্থ শিরার নিচের স্তর ইন্টিমাকে আক্রমণ করে ও পুঞ্জীভূত হয়। এতে শিরার সংকোচন প্রসারণ ক্ষমতা লোপ পায় এবং শিরা সংকীর্ণ বা সরু হয়ে পড়ে।

বিভিন্ন কারণে হৃৎপিণ্ডের শিরায় রক্ত জমাট বাঁধে। এতে হার্ট অ্যাটাক, হার্টে ব্লক হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

আপনি কি জানেন, আপনার রক্তের চাপ স্বাভাবিক আছে কিনা? রক্তচাপ স্বাভাবিক না হলে কত বেশি? এসব তথ্য না জানলে দেরি না করে জেনে নিন এবং রক্তচাপ স্বাভাবিক মাত্রায় রাখতে সচেষ্ট হোন।

লাইফস্টাইল, খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন ও ব্যায়ামের মাধ্যমেও উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। প্রাকৃতিক উপায়ে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা গেলে ওষুধের ওপর নির্ভরশীলতা কমে যায়।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বিশেষ কিছু খাবার শিরায় রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধে সাহায্য করে হার্ট সুস্থ রাখে। নিম্নে ওইসব খাবারের নাম দেয়া হল :

জলপাইয়ের তেল : জলপাইয়ের তেল কোলেস্টেরল প্রতিরোধ করে। এর মধ্যে থাকা ম্যানুস্যাচুরেটেড চর্বি খাবাপ কোলেস্টেরল প্রতিরোধ করে ও শিরায় রক্ত জমাট বাঁধায় বাধা দেয়।

ওট : ওটের সলিউবল আঁশ কোলেস্টেরল তৈরিতে বাধা দেয়। এই আঁশ হৃৎপিণ্ডের শিরার রক্তের জমাট প্রতিরোধ করে।

ডালিম : ডালিম একটি শক্তিশালী অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। এটি শিরার শক্ত হয়ে যাওয়া সমস্যার সঙ্গে লড়াই করে এবং শিরার রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধ করে।

মাছ : যেসব মাছের ওমেগা তিন ফ্যাটি এসিড রয়েছে, যেমন : স্যালমন, টুনা ইত্যাদি। এগুলো খাবারে জমাট বাঁধা রক্ত প্রতিরোধ করার ক্ষমতা রয়েছে।

টমেটো : টমেটোর মধ্যে লাইকোপেন রয়েছে। যাদের শরীরে লাইকোপেন ভালো মাত্রায় থাকে, তাদের হৃৎপিণ্ডের শিরার সমস্যা কমে যায়। এছাড়া টমোটো হৃৎপিণ্ডের শিরাকে শক্ত হতে দেয় না।

রসুন : রসুন উচ্চ রক্তচাপ এবং হৃদরোগ প্রতিরোধ করে। এছাড়া হৃৎপিণ্ডের শিরার জমে যাওয়া রক্ত প্রবাহিত করে।

Wednesday, December 14, 2016

কোলেস্টেরল কমিয়ে মেদ ঝরায় যে সবজি


মিষ্টি কুমড়া  একটি সবজির নাম। পুষ্টিগুণে ভরা এ সবজি দেহের রোগ প্রতিরোধ করে। কুমড়ার ভিটামিন-এ চোখকে কর্নিয়া থেকে রক্ষা করে থাকে। এ সবজি শরীরের কোলেস্টেরল কমিয়ে মেদ ঝরাতে সাহায্য করে।



এটি মানবদেহের সুস্থ ত্বক গঠনে সাহায্য করে। এ সবজিতে ক্যারটিনয়েড নামক উপাদান আছে, যা চোখে ছানি পড়া ও যেকোনো বয়সে চোখের সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি থেকে রক্ষা করে থাকে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মিষ্টি কুমড়ায় ভিটামিন-এ, বি-কমপ্লেক্স, সি, ই, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, জিংক, ফ্লেভনয়েড পলি-ফেনলিক, অ্যান্টিঅক্সিডেণ্ট উপাদান সমূহ যেমন লিউটিন, জ্যানথিন এবং আরো অনেক উপাদান রয়েছে। কুমড়া ক্যালোরিও বেশ কম থাকে। তাই দেরি না করে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় মিষ্টি কুমড়া রাখা জরুরি।
মিষ্টি কুমড়ায় আর কী কী উপকারিতা রয়েছে তা নিম্নে আলোচনা করা হল :

* অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ায় কোলেস্টেরল কম রাখতে সাহায্য করে।

* কুমড়াতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে। যা সর্দি-কাশি, ঠাণ্ডা লাগা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

* কুমড়ার ক্যালরির পরিমাণ খুব কম। আর ফাইবারের পরিমাণ বেশি থাকায় হজমে সহায়ক।

* কুমড়া ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে, কারণ এটা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ।

* কুমড়াতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ রয়েছে।

* গাজরের তুলনায় কুমড়ায় প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন রয়েছে। যা চোখের জন্য ভালো।

* ভিটামিন এ চকচকে ও উজ্জ্বল চুল এবং ত্বকের জন্য উপকারী। তাই কুমড়া খাওয়া অত্যন্ত জরুরি।  

* কুমড়াতে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেশিয়াম ও ভিটামিন সি রয়েছে।

* এটা ডিপ্রেশন কম রাখতে সাহায্য করে।

* কুমড়ায় প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম বিদ্যমান থাকায় হাইপারটেশন হওয়ার চান্স খুব কম।

এছাড়া কুমড়ার স্যুপ খেতে পারেন। গরম ভাতের সঙ্গে খেতে পারেন মিষ্টি কুমড়ার তরকারি ও ভর্তা।

Saturday, December 10, 2016

অবাক হলেও সত্য, ১৫ কেজি ওজন কমায় এক চামচ জিরা!

বিশেষজ্ঞদের মতে, জিরার এন্টিঅক্সিডেন্ট মানব দেহের মেটাবলিজমের হার বাড়ায়। এটি আমাদের দেহের ক্যালরি বার্ন করতে সাহায্য করে। পেটের মেদ কমাতে এটি খুবই কার্যকর। জিরা খাবার হজম প্রক্রিয়ায় কার্যকর ভূমিকা রাখে। পাকস্থলীতে গ্যাস জমতে বাধা দেয়। এটি শরীরে খারাপ চর্বি ও কলেস্টোরল তৈরিতে বাধা দেয়। জিরা শরীরের মেদ কমায় ও হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।







এছাড়া জিরাকে জাদুকরি মসলাও বলা হয়। কারণ মাত্র এক চামচ জিরা প্রতিদিন খেলে আপনার ওজন ১৫ কেজি কমে যেতে পারে! কী বিশ্বাস হচ্ছে না! তাহলে আসুন জেনে নিই, জাদুকরি জিরার মিশ্রণ কীভাবে আপনার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে।

জিরার মিশ্রণ তৈরির প্রস্তুত প্রণালী ও ব্যবহার

মিশ্রণ

(১) : এক টেবিল চামচ আস্ত জিরা এক গ্লাস পানিতে সারা রাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে ওই পানি ফুটিয়ে নিন। পানি ছেঁকে এতে অর্ধেক লেবুর রস মেশান। এই পানি প্রতিদিন সকালে পান করুন একটানা ১৫ দিন। দ্রুত মেদ কমাতে এ মিশ্রণ অসাধারণ কাজ করে।

(২) : এক চা চামচ জিরার গুঁড়া ৫ গ্রাম টক দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। একটানা দুই সপ্তাহ প্রতিদিন এটি টকদইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে খান।

(৩) : এক গ্লাস পানিতে তিন গ্রাম জিরা পাউডার এবং কয়েক ফোঁটা মধু মিশিয়ে পান করুন।

(৪) : সমপরিমাণ আদা ও সিদ্ধ গাজর কুচিয়ে নিন। আপনি চাইলে আরও দু এক পদের সিদ্ধ সবজি দিতে পারেন। এবার এসব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে এর মধ্যে অল্প জিরার গুঁড়া, সামান্য লেবুর রস কুচানো আদা ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। রাতে অন্যকিছু ভারী খাবার বাদ দিয়ে এই সালাদ খান।

প্রতিদিন উল্লেখিত নিয়ম মেনে চললে দেখবেন দ্রুত আপনার ওজন স্বাভাবিকে এসেছে।

Tuesday, November 22, 2016

সারা শরীরে ব্যথা, জাদুকরি ১ কাপ চায়ে হবে দূর!



ঘাড় ব্যথা, মাথা ব্যথা কিংবা হাত-পাসহ সারা শরীরের ব্যথা কাবু করে ফেলেছে আপনাকে। কোনো কাজে মনযোগী হতে পারছেন না। তাই বরাবরের মতো এবারও সহজেই মুক্তি পেতে পেইনকিলারের সাহায্য নিয়েছেন।

তবে একটা বিষয় ভুলে গেলে চলবে না, পেইনকিলার সাময়িকভাবে ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে। পরে আবারও আপনাকে একই রকম ব্যথার সম্মুখিন হতে হবে, এটা আপনি বিশ্বাস করতে না চাইলেও সত্যি!

চিকিৎসকের মতে,  অতিরিক্ত পেইনকিলার আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

পেইনকিলারে উচ্চ রক্তচাপ (উচ্চ রক্তচাপ), ডায়রিয়া, বমি বমি ভাব, রক্তপাতের মত নির্দিষ্ট পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া, হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি, কিডনি রোগ এমনকি ক্যান্সারের মতো মরণ ঘাতক রোগও হওয়ার আশংকা থাকে।

আবার এ অসহ্য ব্যথা নিয়ে বসে থাকাও তো যায় না। তাহলে উপায়?

আরে এতো চিন্তা করছেন কেন? প্রাকৃতিক উপদান হলুদ দিয়ে তৈরি জাদুকরি এক চা, আপনার অসহ্য ব্যথা নিমিষেই কমিয়ে দেবে।

গবেষকদের মতে, হলুদের স্বাস্থ্যগুণ সবার জানা। হলুদের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদানও দেহের প্রদাহ জনিত ব্যথা দূর করতে বিশেষভাবে কার্যকরী।
তাহলে দেরি কেন?  আসুন জেনে নিই সেই জাদুকরি হলুদ চা তৈরির রেসিপি :

হলুদ চা তৈরির উপকরণ

চার কাপ পানি, দুই টেবিল চামুচ টাটকা মিহি হলুদ, একই পরিমাণ লেবু ও মধু (স্বাদ বাড়াতে)।

প্রস্তুত  প্রণালী

চুলায় পানি গরম করেত দিন। পানি গরম হলে এতে হলুদ গুঁড়া দিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট সিদ্ধ করুন। আপনি যদি ফ্রেশ হলুদ কুচি ব্যবহার করেন, তবে ১০ মিনিট সিদ্ধ করুন।পানি সিদ্ধ হয়ে আসলে এতে লেবুর রস অথবা মধু মিশিয়ে পান করুন।

তারপর দেখুন কীভাবে অল্প সময়ে জাদুকরি চায়ের সাহায্যে চিরবিদায় নিয়েছে আপনার শরীরের সব ব্যথা।