Tuesday, November 22, 2016

সারা শরীরে ব্যথা, জাদুকরি ১ কাপ চায়ে হবে দূর!



ঘাড় ব্যথা, মাথা ব্যথা কিংবা হাত-পাসহ সারা শরীরের ব্যথা কাবু করে ফেলেছে আপনাকে। কোনো কাজে মনযোগী হতে পারছেন না। তাই বরাবরের মতো এবারও সহজেই মুক্তি পেতে পেইনকিলারের সাহায্য নিয়েছেন।

তবে একটা বিষয় ভুলে গেলে চলবে না, পেইনকিলার সাময়িকভাবে ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে। পরে আবারও আপনাকে একই রকম ব্যথার সম্মুখিন হতে হবে, এটা আপনি বিশ্বাস করতে না চাইলেও সত্যি!

চিকিৎসকের মতে,  অতিরিক্ত পেইনকিলার আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

পেইনকিলারে উচ্চ রক্তচাপ (উচ্চ রক্তচাপ), ডায়রিয়া, বমি বমি ভাব, রক্তপাতের মত নির্দিষ্ট পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া, হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি, কিডনি রোগ এমনকি ক্যান্সারের মতো মরণ ঘাতক রোগও হওয়ার আশংকা থাকে।

আবার এ অসহ্য ব্যথা নিয়ে বসে থাকাও তো যায় না। তাহলে উপায়?

আরে এতো চিন্তা করছেন কেন? প্রাকৃতিক উপদান হলুদ দিয়ে তৈরি জাদুকরি এক চা, আপনার অসহ্য ব্যথা নিমিষেই কমিয়ে দেবে।

গবেষকদের মতে, হলুদের স্বাস্থ্যগুণ সবার জানা। হলুদের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদানও দেহের প্রদাহ জনিত ব্যথা দূর করতে বিশেষভাবে কার্যকরী।
তাহলে দেরি কেন?  আসুন জেনে নিই সেই জাদুকরি হলুদ চা তৈরির রেসিপি :

হলুদ চা তৈরির উপকরণ

চার কাপ পানি, দুই টেবিল চামুচ টাটকা মিহি হলুদ, একই পরিমাণ লেবু ও মধু (স্বাদ বাড়াতে)।

প্রস্তুত  প্রণালী

চুলায় পানি গরম করেত দিন। পানি গরম হলে এতে হলুদ গুঁড়া দিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট সিদ্ধ করুন। আপনি যদি ফ্রেশ হলুদ কুচি ব্যবহার করেন, তবে ১০ মিনিট সিদ্ধ করুন।পানি সিদ্ধ হয়ে আসলে এতে লেবুর রস অথবা মধু মিশিয়ে পান করুন।

তারপর দেখুন কীভাবে অল্প সময়ে জাদুকরি চায়ের সাহায্যে চিরবিদায় নিয়েছে আপনার শরীরের সব ব্যথা।

Saturday, November 19, 2016

বিস্ময়কর ক্ষমতা মেথির!





মেথি সবাই চেনেন। মেথিকে মসলা, খাবার, পথ্য—তিনটিই বলা চলে। স্বাদ তিতা ধরনের। এতে রয়েছে রক্তের চিনির মাত্রা কমানোর বিস্ময়কর শক্তি ও তারুণ্য ধরে রাখার বিস্ময়কর এক ক্ষমতা। যাঁরা নিয়মিত মেথি খান, তাঁদের বুড়িয়ে যাওয়ার গতিটা অত্যন্ত ধীর হয়।

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে মেথি চিবিয়ে খেলে বা এক গ্লাস পানিতে মেথি ভিজিয়ে রেখে সেই পানি পান করলে শরীরের রোগ-জীবাণু মরে। বিশেষত কৃমি মরে। রক্তের চিনির মাত্রা কমে। রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল বা চর্বির মাত্রা কমে যায়। ডায়াবেটিসের রোগী থেকে শুরু করে হৃদ্‌রোগের রোগী পর্যন্ত সবাইকে তাঁদের খাবারে মেথি রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। মেথির গুণাগুণ দেখলে একে অন্যতম সুপারফুড বলা চলে।


মেথির উপকারিতা জেনে নিন

১. মেথিতে আছে প্রাকৃতিক তন্তু, যা ওজন কমাতে বেশ কার্যকর। দিনে দুই-তিনবার মেথি চিবাতে থাকলে বেশি না খেলেও পেট ভরা মনে হবে। যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাঁরা মেথি কাজে লাগাতে পারেন।

২. শীত একটু একটু করে আসছে। বাড়ছে সর্দিকাশিও। নিয়মিত মেথি খেলে সর্দিকাশি পালাবে। লেবু ও মধুর সঙ্গে এক চা-চামচ মেথি মিশিয়ে খেলে জ্বর পালাবে। মেথিতে মিউকিল্যাগ নামের একটি উপাদান আছে, যা গলাব্যথা সারাতে পারে। অল্প পানিতে মেথি সেদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে গড়গড়া করলে গলার সংক্রমণ দূর হয়।

৩. চুল পড়া ঠেকাতে মেথি খেলে উপকার পাওয়া যায়। মেথি সেদ্ধ করে সারা রাত রেখে তার সঙ্গে নারকেল তেল মিশিয়ে নিয়মিত মাথায় মাখলে চুল পড়া কমে।

৪. অন্ত্রের নড়াচড়া বৃদ্ধি করে মেথি। যাঁদের পেট জ্বালা বা হজমে সমস্যা আছে, তাঁরা নিয়মিত মেথি খেতে পারেন। এতে ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে, যা শরীর থেকে ক্ষতিকর উপাদান দূর করে। মেথি ঝরানো পানি খেলেও হজমের সমস্যা দূর হবে। এমনকি পেপটিক আলসার সারিয়ে তুলতেও সাহায্য করে।

৫. রক্তে চিনির মাত্রা কমানোর অসাধারণ এক শক্তি থাকায় ডায়াবেটিস রোগের জন্য খুব ভালো এই মেথি।

৬. নিয়মিত মেথি খেলে পেটে কৃমি হয় না। সেই সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে।

৭. মেথি আয়রনসমৃদ্ধ হওয়ায় রক্তস্বল্পতা, অর্থাৎ অ্যানিমিয়া রোগের পথ্য হিসেবে কাজ করতে পারে।

৮. মাতৃদুগ্ধ বাড়াতে ওষুধের বিকল্প হলো মেথি। সদ্য মা হওয়া নারীর জন্য মেথি উপকারী।

৯. ক্যানসার প্রতিরোধে কাজ করে মেথি, বিশেষ করে স্তন ও কোলন ক্যানসার প্রতিরোধের জন্য মেথি কার্যকর। মেনোপজ হলে নারীর শরীরে নানা ধরনের পরিবর্তন আসে। হরমোনের এই পরিবর্তনের কালে মেথি ভালো একটি পথ্য।

১০. মেথি পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে সক্ষম।

Wednesday, November 16, 2016

জেনে নিন কিডনি নষ্টের কিছু কারণ



যেহেতু কিডনি ছাড়া আমরা অচল, তাই কিডনি নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচতে হলে আমাদের প্রত্যেকেরই কিডনি সম্পর্কে সচেতন হওয়া উচিত। কিন্তু আমাদের অগোচরেই অনেক সময় কিছু অসাবধানতার কারণে আমরা কিডনির ক্ষতি করছি।

জেনে নেই কিডনি নষ্টের গুরুত্বপূর্ণ সেই কারণসমূহ :

১। প্রস্রাব আটকে রাখা।
২। পর্যাপ্ত পানি পান না করা।
৩। অতিরিক্ত লবন খাওয়া।
৪। যেকোনো সংক্রমণের দ্রুত চিকিৎসা না করা।
৫। মাংস বেশি খাওয়া।
৬। প্রয়োজনের তুলনায় কম খাওয়া।
৭। অপরিমিত ব্যথার ওষুধ সেবন।
৮। ওষুধ সেবনে অনিয়ম।
৯। অতিরিক্ত মদ খাওয়া।
১০। পর্যাপ্ত বিশ্রাম না নেয়া।

মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গের মত কিডনিও আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কিডনিকে মানব দেহের ফিল্টার বলা হয়। কারণ কিডনি প্রাণী শরীরের পানি ফিল্টার করে আমাদের সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। কিডনির যদি নষ্ট হয়ে যায় তাহলে বেঁচে থাকাও আর সম্ভব নয়। তাই নিয়ম করে শরীরের যত্ন নিন।

কিডনি ও কিডনি রোগ সম্পর্কে জানুন এবং সচেতন হোন।

# আপনি জানেন কি, আপনার দুটো কিডনি প্রতিদিন প্রায় ১৭০ লিটার রক্ত পরিশোধিত করে আপনার শরীরকে সুস্থ রাখে?

# দুটো কিডনিতে প্রায় ২০-২৫ লাখ ছাঁকনি রয়েছে, যা অনবরত আপনার রক্তকে পরিশোধিত করে যাচ্ছে।

# কিডনি আপনার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, রক্তস্বল্পতা দূর করতে সাহায্য করে এবং আপনার অস্থিগুলো শক্তিশালী করে থাকে।

# কিডনির প্রধান রোগ নেফ্রাইটিস বা নেফ্রোটিক সিনড্রোম, যা কিডনির ছাঁকনি বা ফিল্টার মেমব্রেনকে ক্ষতবিক্ষত করে। এর কারণে শরীর থেকে অত্যাবশ্যক প্রোটিন বেরিয়ে যায়।

# প্রস্রাব প্রদাহ কিডনির একটি সাধারণ রোগ হলেও শিশুদের ক্ষেত্রে মারাত্মক হতে পারে।

# ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ কিডনি রোগ নয়, তবু কিডনিকে আক্রান্ত করে কিডনির কার্যকারিতা কমিয়ে মারাত্মক জটিলতার সৃষ্টি করে।

# যেসব রোগ কিডনিকে আক্রান্ত করে কিডনির কার্যকারিতা বিনষ্ট করে বা কিডনি ফেইলার হয়: ১. নেফ্রাইটিস ২. ডায়াবেটিস ও ৩. উচ্চ রক্তচাপ। সুতরাং

# ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ ডায়াবেটিস রোগী কিডনি রোগে ভোগে থাকে।

# আপনার বয়স যদি ৪০ বছরের ওপরে হয়, আপনি যদি ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপে ভুগে থাকেন অথবা বংশে যদি কিডনি রোগ থাকে, তবে অবশ্যই আপনার রক্ত ও প্রস্রাব পরীক্ষা করে জেনে নিন, আপনার কিডনি রোগ আছে কি না।

# মেয়েদের গর্ভকালীন উচ্চ রক্তচাপ পরবর্তী পর্যায়ে কিডনি রোগের কারণ হতে পারে।

# শুধু রক্তচাপ, প্রস্রাব পরীক্ষা এবং রক্তের ক্রিয়েটিনিন ও সুগার পরীক্ষা করেই জানা যায় কিডনি রোগ আছে কি না।

বাংলাদেশে বর্তমানে দুই কোটি লোক কোনো না কোনো কিডনি রোগে আক্রান্ত। প্রাথমিক পর্যায় থেকে এসব রোগের চিকিৎসায় যত্নবান হোন এবং ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

Monday, November 14, 2016

দূর করে ফেলুন পাইলসের সমস্যা



অর্শ বা পাইলসের সমস্যা ঘরে ঘরে দেখা যায়। কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের সমস্যা, দীর্ঘ মেয়াদী কাশির সমস্যা, প্রস্রাবে বাধা, গর্ভধারণ, মলদ্বারে ক্যানসার, নিয়মিত দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা এসব থেকে পাইলসের সমস্যা হতে পারে। পাইলসের সমস্যা বলতে মলদ্বারে যন্ত্রণা, রক্ত পড়া, মলদ্বার ফুলে যাওয়া মূলত এই ধরণের উপসর্গ দেখা যায়।পাইলসের চিকিৎসার জন্য নানা ধরণের চিকিৎসা রয়েছে। সমস্যা কতটা গভীর তার উপরও চিকিৎসা পদ্ধতি নির্ভর করে। কখনও শুধু ওষুধেই কাজ দেয়, কখনও আবার সমস্যা এতটাই বেড়ে যায় যে অস্ত্রোপচার ছাড়া আর কোনও উপায় থাকে না। তবে পাইলসের সমস্যায় কিছু নির্দিষ্ট খাবার ও টোটকা আছে, যা অত্যন্ত উপকারী-


র‌্যাডিশ জুস:
র‌্যাডিশ হল মূলা ঘরানার একটি সবজি। এই সবজি পাইলসের সমস্যায় অত্যন্ত উপকারি। এই সবজির রস খেলে উপকার পাবেন। প্রথমে ১/৪ কাপ দিয়ে শুরু করুন। তারপর পরিমাণ আস্তে আস্তে বাড়িয়ে ১/২ কাপে নিয়ে আসুন।

বেদানা:
বেদানার দানা জলে ভাল করে ফোটান। যতক্ষণ না বেদানার দানা ও জলের রং বদলাচ্ছে ততক্ষণ ক্রমাগত ফুটিয়ে যান। এই জল ছেঁকে রেখে দিন। দিনের দুবার করে এই জল খান।

ডুমুর:
শুকনো ডুমুর বা ফিগ ১ গ্লাস জলে সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন সকালে এই অর্ধেক জল খেয়ে নিন। আবার বিকেলের দিকে বাকি অর্ধেক জল খেয়ে নিন।

আদা ও লেবুর রস:
ডিহাইড্রেশনও পাইলসের অন্যতম কারণ। আদা ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে তাতে ১ চামচ মধু ভাল করে মিশিয়ে নিন। দিনে দুবার করে এই মিশ্রণটি খান। এতে শরীর হাইড্রেট হবে এবং পাইলসের সমস্যাও কমবে।

কাঁচা পেঁয়াজ:
পাইলসের কারণ যে মলদ্বার থেকে রক্ত পরার সমস্যা তৈরি হয়, কাঁচা পেঁয়াজে সে সমস্যা অনেকটাই কমে। অন্ত্রের যন্ত্রণা প্রশমিত করতেও সাহায্য করে।

প্রাতঃকর্মের সময় বসার ধরণ:
অনেকসময় ভুল পদ্ধতিতে কমোডে বসার ফলে অতিরিক্ত চাপের প্রয়োজন হয়। পায়ের নিচে একটা ছোট টুল রাখুন। কমোডে বসার সময় একটু সামনের দিকে ঝুঁকে বসুন। এতে বৃহদন্ত্রের কম চাপ পড়বে।

ওয়ার্কআউট:
কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা কমাতে ও শরীরে রক্তচলাচল স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত ওয়ার্ক আউট করা উচিত। তবে যদি খুব পরিশ্রম করেন বা ভার উত্তোলন করেন তাহলে পাইলসের সমস্যা বাড়তে পারে। সাঁতার কাটা বা সাইকেল চালানোর মতো হাল্কা ওয়ার্কআউট করুন।

হলুদ:
কাঁচা হলুদ জলে ফোটান ভাল করে। আর এই জল নিয়মিত খান। এতে পাইলসের সমস্যায় অনেকটা উপকার পাওয়া যায়।

কলা:
কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা সবচেয়ে উপকারি এবং অব্যর্থ ওষুধ হল কলা। বিনা কষ্টে মলত্যাগ করতে সাহায্য করে কলা। এর ফলে মলদ্বারে কোনও চাপ পড়ে না, ফলে পাইলসের সমস্যা বৃদ্ধি হয় না। কলা সোয়াবিনের দুধ দিয়ে খেলে আরও তাড়াতাড়ি উপকার পাওয়া যাবে।

ডাল:
মসুর ডাল, খেসারী ডাল, তিসী ডাল, এই ধরনের খাবার পাইলসের সমস্যা নিরাময়ে খুবই উপকারি।

Tuesday, November 8, 2016

পেঁপের কিছু উপকারিতা জেনে নিন



বেশির ভাগ মানুষের কাছে  পেঁপে একটি স্বাস্থ্যকর খাবার এবং এটি সকলেরই সাধ্যের মধ্যে ভিটামিনযুক্ত একটি খাবার।
আসুন অল্প কথায় জেনে নেই পেঁপের কিছু গুণাগুণঃ
১) প্রধানত এটিতে ভিটামিন আছে প্রচুর আর আমরা সকলেই জানি ভিটামিন এ এর অভাবে বেশির ভাগ মানুষেরই চোখে সমস্যা হয়,সুতরাং সেক্ষেত্রে নিজের চোখকে ভাল রাখার একটি ভাল উপায় হল বেশি বেশি  পেঁপে খাওয়া।
২)হার্টের অসুখের জন্য এটি একটি ভাল ফল।কারণ এটি এথেরোস্কেলোরোসিস নামক একটি রোগ থেকে মানুষকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। ভিটামিন এ,সি এবং ই-তিনটি একই সাথে এই পেঁপেতে পাওয়া যায় আর এই তিনটি ভিটামিনই এন্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে আমাদের সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
৩)অনেকেরই ঠিকমত পায়খানা হয়না,কোষ্ঠকাঠিন্য নামক অসুখ দেখা দেয় আর এই অসুখের খুব ভাল একটি ওষুধ হল  পেঁপে কারণ  পেঁপে ঠিকমত খেলে এই অসুখ দূর হয় এবং শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
৪)বেশির ভাগ মানুষের একটি সাধারণ সমস্যা যে তাদের চর্বি বেড়ে যায় মানে কোলেস্টেরলের পরিমান বেড়ে যায়। আর পেঁপেতে কোন কোলেস্টেরল থাকেনা,এটি ফাইবারযুক্ত একটি খাদ্য তাই প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় পেঁপে দিয়ে রান্না করা যে কোন একটি সবজি রেখে নিজেকে কোলেস্টেরল থেকে দূরে রাখুন।
৫)অনেকেরই দাদ হতে দেখা যায়,তাদের জন্য  পেঁপে খুব ভাল একটি ওষুধ। যেখানে দাদ হয় সেখানে পেঁপের রস লাগালে দাদ অনেকটা ভাল হয়।
৬)পেঁপেতে এন্টিঅক্সিডেন্ট,বিটা ক্যারোটিন,লুটেইন থাকে আর ক্যারোটিন ফুসফুস ও অন্যান্য ক্যান্সারের ঝুকি কমাতে অনেক সাহয্য করে আর তাই  পেঁপে অনেক বেশি উপকারি।
৭)অনেকেরই খাবারের প্রতি অনীহা থাকে,খেতে ইচ্ছে করে না,খাবারের প্রতি দেখা হয় চরম অরুচি আর এই অরুচি রোধের একটি ভাল ওষুধ হচ্ছে পেঁপে,কারণ  পেঁপে খেলে রুচি বাড়ে অনেক।
৮)অনেকেরই পেট ফাপা দেখা দেইয় মাঝে মাঝে। পেট ফাপা দূর করতে পেঁপের সাথে লবণ ও গোলমরিচ মিশিয়ে খেলে পেট ফাপা দূর হয়।
৯)অনেকের মাথায় উকুন হয় যা কিনা খুবই বিরক্তিকর। সারাক্ষণ মাথা চুলকাতে থাকে তারা আর তাছাড়া উকুন মাথা থেকে অনেক রক্ত খেয়ে অনেক অপকার করে আর উকুন দূরীকরনের একটি ভাল উপায় পেঁপের আঠা। পেঁপের আঠা চুলের গোড়ায় নিয়মিত দিলে উকুন দূর হয়ে চুলকে ভাল রাখে এবং সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
১০)ব্রণের দাগ দূর করতে ও  পেঁপে অনেক উপকারী।
১১)ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য মিষ্টি খাওয়া নিষেধ কিন্তু পেঁপে এমন একটি খাবার যা ডায়াবেটিস রোগীরা খেতে পারবেন।
১২)কৃমি দূর করতে একটি ভাল ওষুধ হল পেঁপে।
এক কথায়, পেঁপে এমন একটি খাদ্য যা কিনা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সকলের উপকার করে তাই সকলের উচিত প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় কাচা অথবা পাকা যে কোন পেঁপের একটি আইটেম রাখা।

Sunday, November 6, 2016

যে পাতায় ১ মাসে চিরবিদায় হবে এলার্জি!


এলার্জি শব্দটির সঙ্গে আমরা কম-বেশি সবাই পরিচিত। এলার্জির কারণে অস্বস্তিতে ভোগেন অনেকেই। এলার্জির সমস্যা যে কতোটা ভয়ংকর, তা শুধু ভুক্তভোগীরাই জানেন। এর থেকে মুক্তি পেতে কত কিছুই না করা হয়। খাদ্যতালিকা থেকে বাদ রাখতে হয় অনেক প্রিয় খাবার।

চিকিৎসকের মতে, কিছু কিছু খাদ্য গ্রহণের পর কারও কারও শরীরে অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। যেমন- গরুর দুধ, ডিম, বাদাম, সয়াবিন, ইলিশ, চিংড়ি, পুঁটি, বোয়াল, শোল, বেগুন, কুমড়া, কচু থেকে অ্যালার্জিক রিঅ্যাকশন হতে পারে। এতে ত্বক চুলকাতে থাকে এবং সঙ্গে সঙ্গে চাকা হয়ে লাল হয়। চোখেও চুলকানি, পানি পড়া, লাল হয়ে ফুলে ওঠে।

রোগের লক্ষণ ও কতদিন থেকে হয়েছে এর সঙ্গে রোগীর জন্মগত ত্বকের রোগ, হাঁপানি ও নাক দিয়ে পানি পড়া বা হাঁচির সমস্যা রয়েছে কিনা তা জানা হয়।

ল্যাবরেটরি পরীক্ষা, যেমন- স্কিন প্রিক টেস্ট, স্পেসিফিক আইজিই-ও করা হয়।

শুধু তাই নয় এলার্জির কারণে বছরের পর বছর অনেক পুষ্টিকর খাবার থেকে বঞ্চিত থাকতে হয়। এতে অনেকেই ভোগেন পুষ্টিহীনতায়। তবুও এলার্জি থকে মুক্তি মেলে না।

তবে এলার্জি নিয়ে আর ভাবনা নয়। এলার্জি আক্রান্ত ব্যক্তিরা চিন্তা ভুলে নিম পাতার মিশ্রণে এক মাসের মধ্যে সহজ উপায়ে এলার্জিকে চিরবিদায় জানাতে পারবেন! আসুন জেনে নিই নিম পাতার মিশ্রণের প্রস্তুত প্রণালী-

* এক কেজি নিম পাতা ভালো করে রোদে শুকিয়ে নিন।

* শুকনো নিম পাতা পাটায় গুড়ো করে পরিষ্কার একটি কাচের পাত্রে ভরে রাখুন।

ব্যবহারের পদ্ধতি

* এক চা চামচের তিন ভাগের এক ভাগ নিম পাতার গুড়া এবং এক চা চামচ ভুষি এক গ্লাস পানিতে আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। আধা ঘণ্টা পর চামচ দিয়ে ভালো করে নেড়ে খেতে হবে।

* প্রতিদিন সকালে খালি পেটে, দুপুরে ভরা পেটে এবং রাতে শোয়ার আগে এই মিশ্রণ খাবেন।

* এ মিশ্রণ কমপক্ষে ২১ দিন খেতে হবে। কার্যকারিতা শুরু হতে এক মাস সময় লাগতে পারে।

নিম পাতার মিশ্রণ এক মাস খাওয়ার পর আপনার এলার্জি কমে যাবে। তারপর আপনি স্বাভাবিকভাবেই পছন্দের খাবারগুলো যেমন হাঁসের ডিম, বেগুন, গরুর মাংস, চিংড়ি, কচু, দুধ, পুঁইশাক, মিষ্টি কুমড়া খেতে পারবেন। তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে, জানেন তো কোনো কিছুই অতিরিক্ত ভালো নয়। তাই পছন্দের সব খাবার খাবেন তবে পরিমিত।

Friday, November 4, 2016

প্রতিদিন সকালে লেবুর পানি খাবেন যে ৭ কারণে



রোজ সকালে নিয়ম করে লেবুর পানি খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে সব ধরণের চিকিৎসা শাস্ত্রে। শুধুমাত্র ভিটামিন সি-এর কথাই যদি বলি তাহলে একটি লেবুতে রয়েছে ৩০.৭ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি। যদিও আমাদের শরীরে ভিটামিন সি-এর দৈনিক চাহিদা পরিমাণ পুরুষদের ৯০ মিলিগ্রাম এবং মহিলাদের ৭৫ মিলিগ্রাম। যার অনেকটাই পাওয়া যেতে পারে এই লেবু থেকে। হজমশক্তি বাড়াতে চাইলে প্রথমে আপনাকে শরীরের ভিটামিন সি-র ঘাটতি পূরণ করতে হবে।

একটা জিনিস সবসময় মনে রাখতে হবে যে কখনোই লেবুর সঙ্গে চিনি বা লবণ মেশানো যাবে না। ঘুম থেকে উঠেই যে কিছু না খেয়ে একদম খালি পেটে লেবুর পানি খেতে হবে, এমন কোনও কথা নেই। খাবার খাওয়ার ঘণ্টাখানেক পরেও খেতে পারেন আপনি লেবুর পানি। শরীরের বাড়তি মেদ ঝরাতে রোজ সকালে খালিপেটে লেবুর পানি খাওয়ার চল রয়েছে। কিন্তু লেবুর পানির আরও অনেক উপকার রয়েছে। আসুন আজ জেনে নেই লেবুর পানির আরও কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতার কথা-

১. হজম শক্তি বাড়ায়: রোজ লেবুর পানি খান। আপনার হজমশক্তি ধীরে ধীরে বাড়বে। গ্যাস-অম্বল দূর হবে। কারণ, লেবুর পানি পরিপাক নালির মধ্যে থাকা টক্সিন শরীর থেকে বের করে দেয়।

২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে: লেবুর মধ্যে রয়েছে ভরপুর ভিটামিন সি। যে কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে।

৩. এনার্জি জোগায়: লেবুর শরবত খান, ইনস্ট্যান্ট এনার্জি পাবেন। রোজ সকালে যদি লেবুর পানি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন, মেজাজ ভালো থাকবে। কাজে এনার্জি পাবেন।

৪. ওজন কমাতে: ওজন কমাতে বা মেদ ঝরাতে লেবুর তুলনা নেই। দ্রুত ও দীর্ঘমেয়াদি কাজ দেয়। হালকা গরম পানিতে, লেবুর রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে আরও ভালো ফল পাবেন।

৫. অ্যান্টিভাইরাল ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল: হ্যা, এই দু’টি গুণও লেবুর মধ্যে রয়েছে। ফলে, ভাইরাস ও ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ এড়াতে লেবুর পানি খেতে পারেন। বিশেষত, ফ্লু, সর্দিকাশি ও গলাব্যথা হলে।

৬. মস্তিষ্ক সতেজ রাখে: লেবুর মধ্যে রয়েছে অতিমাত্রায় পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম। যা শুধু মস্তিষ্ক নয়, স্নায়ুকেও সতেজ রাখতে সাহায্য করে। চিন্তাশক্তি বাড়ায়। শারীরিক ধকল ও বিষণ্ণতা কাটাতেও পাতিলেবুর তুলনা নেই।

                          গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে ক্লিক করুন